শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ১১:০৭ পূর্বাহ্ন
                                           
ব্রেকিং নিউজঃ
শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন প্রবীণ সাংবাদিক এম জামাল উদ্দিন বাঁশঝাড়ে পড়ে থাকা কার্টন, খুলতেই মিলল এক নারীর মরদেহ এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ড. ইউনূস বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের শরিয়ত আমীর মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী আর নেই বেকারত্ব দূর করতে তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের ভোলাহাটে সবজা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ১ম রি-ইউনিয়ন রজতজয়ন্তী উদযাপিত সাংবাদিকদের প্রতি চসাসের ঈদ শুভেচ্ছা: সম্প্রীতির বার্তা চীন সফরে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউনুস সেনা প্রধানের প্রস্তাব, শর্ত দিলেন প্রধান উপদেষ্টা উজিরপুরে দোকান নির্মাণ কাজে বাধা বিএনপির নেতা গিয়াস উদ্দিন অতঃপর

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ড. ইউনূস

জি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক:-

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আজ শুক্রবার (০৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রধান উপদেষ্টা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন ড. ইউনূস। পরে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানান থাই প্রধানমন্ত্রী। এ সময় দুই নেতা নিজেদের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ড. ইউনূস ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। এ সময় তারা আঞ্চলিক উন্নয়নে পারস্পরিক সহায়তার কথা বলেন।

এদিন হোটেল সাংগ্রিলায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করেন। এ সময় নিজেদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে একে অপরকে সহায়তার কথা বলেন দুই নেতা। এ ছাড়া এদিনে বিকেলে ড. ইউনূস মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে সাংগ্রিলার লবিতে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে কথা বলেছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে বৈঠকের পরই নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স পোস্টে বলেছেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা জনাব মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে একটি গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

মোদি আরও লিখেছেন, আমি বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করা রোধের ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করেছি এবং হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও কল্যাণের জন্য আমাদের গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছি।

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্য বিশেষ করে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমানভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।



ফেইসবুক পেইজ